1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
সৌমিকের মৃত্যু আত্মহত্যা না হত্যা? রহস্য ঘনাচ্ছে বগুড়ায়! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন

সৌমিকের মৃত্যু আত্মহত্যা না হত্যা? রহস্য ঘনাচ্ছে বগুড়ায়!

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ৫৪৭ বার পঠিত
সৌমিকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী সাবেক শিক্ষার্থী, তরুণ প্রকৌশলী হাসিন রায়হান সৌমিকের মৃত্যু ঘিরে এখন বগুড়ায় তৈরি হয়েছে রহস্যের জট। আত্মহত্যা, নাকি ঠাণ্ডা মাথার পরিকল্পিত হত্যা—এই প্রশ্ন ঘুরছে পুরো শহরজুড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয় মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এই মৃত্যু নিয়ে।

৩২ বছর বয়সী সৌমিক গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় বগুড়ার জলেশ্বরীতলা এলাকার নিজ বাসা থেকে হাঁটতে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন তার বাবা তৌফিকুর রহমান সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অবশেষে ৩০ জুন সকালে শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা সেনানিবাস সংলগ্ন বোট ক্লাব এলাকার একটি লেকে তার লাশ পাওয়া যায়।

স্থানীয় পুলিশ জানায়, লাশটি ছিল পানিতে ভাসমান অবস্থায়, শরীরে দৃশ্যত কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।

পরিবারের দাবি, সৌমিক সুস্থ এবং চঞ্চল প্রকৃতির ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন এক তরুণ হঠাৎ করে আত্মহত্যা করবেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে তারা মনে করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই বগুড়ার স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জড়িয়ে অভিযোগ উঠেছে। বগুড়া চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইরুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগের নেতা মমতাজের ছেলে (সাবেক সভাপতি, বগুড়া চেম্বার অব কমার্স) মিলনের নাম নিয়ে সরব হয়েছেন সৌমিকের শুভাকাঙ্ক্ষীরা। সাইরুল এবং মিলন আওয়ামী দোসর হিসেবে দাবি করছে অনেকেই।
স্থানীয়সুত্র মতে, অর্থলোভী প্রতারক সাইরুল এমন কোন ঘৃণ কাজ নেই যা করতে পারে না।

জনপ্রিয় তরুণ নেতা আশিকুর রহমান সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করে বলেন—
“সাইরুল ইসলাম ও তার ছেলে সৌমিক হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।”

যে লেকে সৌমিকের লাশ পাওয়া যায়, তা বগুড়ার মাঝিরা সেনানিবাস সংলগ্ন। এমন একটি উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন এলাকায় একটি মৃতদেহ ভেসে ওঠা এবং তিনদিন কেউ কিছু বুঝতে না পারা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন।

সামাজিক মাধ্যমে একজন লিখেছেন,
“সেনানিবাসের মতো এলাকায় যদি খুন করে কেউ লাশ ফেলতে পারে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?”

সৌমিকের মৃত্যু ঘিরে এলাকাবাসী ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন। কারো গাফিলতি বা প্রভাবশালীদের চাপ যাতে তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত না করে, সেই দাবি তোলাও শুরু হয়েছে।

সতর্কতা: প্রতিবেদনটির তথ্য স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..